নমস্কার এবং শুভেচ্ছা।একটি সচেতন, শিক্ষিত ও স্বনির্ভর সমাজ গড়ে তোলার লক্ষ্যে আমার এই ক্ষুদ্র প্রয়াস। আপনি যদি জীবনের নানা ক্ষেত্রে বাস্তবসম্মত, বিশ্লেষণাত্মক ও প্রাতিষ্ঠানিক জ্ঞান অর্জন করতে চান, তবে এই মঞ্চটি আপনার জন্যই।আমাদের আলোচনার প্রধান ক্ষেত্রসমূহ: * অর্থনীতি, রাজনীতি ও সমাজনীতি: সমসাময়িক প্রেক্ষাপটে আর্থ-সামাজিক ও রাজনৈতিক গতিপ্রকৃতির চুলচেরা বিশ্লেষণ। * দৈনন্দিন শিক্ষা ও জীবনমুখী জ্ঞান: দৈনন্দিন জীবনে কাজে লাগার মতো বাস্তবসম্মত তথ্য ও সাধারণ জ্ঞান। * ভারতের জাতীয় শিক্ষানীতি (NEP 2020): নতুন শিক্ষানীতির কাঠামো, প্রয়োগ ও শিক্ষার্থী-শিক্ষকদের করণীয়। * বিদ্যালয় স্তরের পাঠক্রম: * ষষ্ঠ শ্রেণির ইতিহাস বিষয়ের সহজ-সরল ধারণা। * পশ্চিমবঙ্গ উচ্চমাধ্যমিক শিক্ষা সংসদের একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণির রাষ্ট্রবিজ্ঞান (Political Science)-এর অধ্যায়ভিত্তিক পূর্ণাঙ্গ ও প্রামাণ্য আলোচনা। * দার্শনিক ভাবনা ও দৃষ্টিভঙ্গি: মহাত্মা গান্ধীর জীবনাদর্শ, রাষ্ট্রদর্শন এবং আমার নিজস্ব চিন্তাভাবনার মেলবন্ধন। * আধুনিক শিক্ষাব্যবস্থা ও শিক্ষাতত্ত্ব: শিক্ষার প্রকৃত উদ্দেশ্য, বিজ্ঞানসম্মত শিক্ষণপদ্ধতি ও আধুনিক ধারণা। * ডিজিটাল সুরক্ষা ও সচেতনতা: ডিজিটাল লার্নিং, সাইবার সচেতনতা এবং নিরাপদ ইন্টারনেট ব্যবহারের জন্য সাইবার হাইজিন (Cyber Hygiene) অনুশীলন। * ব্যক্তিগত পরিচিতি ও সামাজিক দায়বদ্ধতা: নাগরিক হিসেবে আমাদের অধিকার, দায়িত্ব ও সামাজিক প্রেক্ষাপট।এই সমস্ত বিষয়ে সঠিক, বস্তুনিষ্ঠ ও ধারাবাহিক জ্ঞান অর্জনের জন্য আমার ইউটিউব চ্যানেলটি সাবস্ক্রাইব করে বেল আইকনটি প্রেস করে রাখতে পারেন। পাশাপাশি আমার ফেসবুক পেজেও প্রতিদিনের নতুন ভিডিও ও আপডেট নিয়মিত প্রকাশ করা হয়; সেগুলোও অনুসরণ করার জন্য অনুরোধ জানাচ্ছি।একটি আন্তরিক নিবেদন:পেশাগতভাবে আমি একজন শিক্ষক ও লেখক। পাশাপাশি এই চ্যানেলের মাধ্যমে আপনাদের কাছে সঠিক বার্তা পৌঁছে দেওয়া আমার অঙ্গীকার। তবে সমাজ ও কর্মক্ষেত্রে চলা নানাবিধ অন্যায় ও দুর্নীতির বিরুদ্ধে সোচ্চার হতে গিয়ে আমাকে একাধিক আইনি লড়াই চালাতে হচ্ছে। বহু ক্ষেত্রে আদালতে আমি নিজেই নিজের পক্ষে দাঁড়িয়ে ন্যায়বিচারের লড়াই লড়ছি। দীর্ঘ এই সামাজিক ও আইনি লড়াইয়ের মাঝে সময় ও বিশ্রামের প্রয়োজন স্বাভাবিকভাবেই অনুভূত হয়।তাই আপনাদের প্রতি বিশেষ অনুরোধ—চ্যানেলের প্রতিটি ভিডিও শান্ত মাথায় পার্ট-১ থেকে শুরু করে শেষ পর্ব পর্যন্ত ধারাবাহিকভাবে দেখুন। পুরো আলোচনা শুনলে আপনি বুঝতে পারবেন প্রতিদিনের জীবনে কোথায় কোথায় সাধারণ মানুষ প্রতারিত বা বঞ্চিত হচ্ছেন। নিজের নাগরিক ও আইনি অধিকার সম্পর্কে স্পষ্ট ধারণা তৈরি হলে আপনিও নিজের অধিকার বুঝে নিতে সক্ষম হবেন। দূর থেকেই আমার এই আলোচনা হয়তো আপনাকে পথ দেখাতে সাহায্য করবে।কোনো ভিডিও বাদ দেবেন না; সময় থাকতেই নিজেকে সচেতন করুন, আপনার গঠনমূলক মতামত জানান এবং প্রয়োজনে অধিকারের প্রশ্নে সর্বদা সচেতন থাকুন। তবে একটি বিষয় মনে রাখবেন—আমাদের প্রত্যেককে সৎ, সত্যবাদী, ন্যায়পরায়ণ, সচ্চরিত্র ও কর্মনিষ্ঠ হতে হবে। আপনি যে পেশাতেই থাকুন না কেন, আপনার মূল পরিচয় হোক একজন সৎ ও দায়িত্বশীল মানুষ। দায়সারা মনোভাব পরিহার করে নিজের কাজকে ভালোবাসুন; প্রতিটি কাজ যেন শিল্পীর সৃষ্টিশীল ভাবনায় নিখুঁত ও পরিপক্ব হয়ে ওঠে।নিজে সৎ ও স্বাধীনভাবে বাঁচুন, অন্যকেও মর্যাদার সঙ্গে বাঁচতে দিন। আমরা যদি প্রত্যেকে ব্যক্তিগত স্তর থেকে সততা বজায় রাখি, তবে আগামী ১০–১৫ বছরের মধ্যেই গড়ে উঠতে পারে এক দুর্নীতিমুক্ত সমাজ। মহাত্মা গান্ধী যাকে স্বপ্ন দেখেছিলেন ‘রামরাজ্য’ রূপে, মার্কসবাদীরা যাকে চিহ্নিত করেছেন ‘সাম্যবাদী সমাজ’ হিসেবে—সেই আদর্শকে ধারণ করে আমি একে বলি "পুনঃ সত্যযুগের সমাজ বা পৃথিবী"।পাশে আছি, পাশে থাকবেন। সবাই সুস্থ থাকুন, ভালো থাকুন।ধন্যবাদ।